ছুরিকাঘাতের ঘটনায় আ’লীগ নেতাসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা

0
142

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি: সিরাজগঞ্জ জেলা শহরে ছুরিকাঘাত ও মারপিটের ঘটনায় আ’লীগনেতা সদরের ৫ নং ওয়ার্ডের সভাপতি তার সহকর্মী রাজ্জাক মহুরী সহ জ্ঞাত ও অজ্ঞাত মোট ৮ জনকে আসামী করে সদর থানায় মামলা করেছেন যুবলীগ কর্মী এস.এম সাকিউজ্জামান সাকিরর স্ত্রী মোছা: শেলী ইয়াসমিন। মামলায় সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের ৫ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সভাপতি ও দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোমিন তারা ও তার সহকর্মী রাজ্জাক মহুরীসহ জ্ঞাত ও অজ্ঞাত মোট ৮জনকে আসামী করা হয়েছে। বুধবার সন্ধ্যায় ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডাঃ ফয়সাল আহম্মেদ জানান, মোঃ সাকি বর্তমানে জেলার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের সার্জারী ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তার শরীরের বেশ কয়েকটি স্থানে ধারালো অস্ত্র ও মারপীটের আঘাত রয়েছে। তার যথাযথ চিকিৎসা চলছে। ভিকটিমের স্ত্রী শেলী ইয়াসমিন জানান, সাব রেজিষ্ট্রি অফিসের দলিল সম্পাদনে অতিরিক্ত ‘ফি’ হাতিয়ে নেওয়া নিয়ে প্রতিবেশীদের সাথে বিতর্ক ও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ে প্রতিবাদ করায় দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোমিন তারা ও তার সহকর্মী রাজ্জাক মহুরী দলবল নিয়ে মঙ্গলবার আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দ্যেশে একাধিক ছুরিকাঘাত ও মারপীট করে। বর্তমানে তিনি সদর হাসপাতাল মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহম্মেদ বুধবার বিকেলে জানান, প্রচুর রক্তপাতও হয়েছে সাকির শরীর থেকে। ঘটনাটি শুনে ঘটনা স্থলে পুলিশ গেলে দলিল লেখক সমিতির লোকজন বিষয়টি ধামাচাপা দেবার চেষ্টা করে। পরে তাকে শহরের আভিসিনা এবং সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপরদিকে, দলিল লেখক সমিতির সভাপতি আব্দুল মোমিন তারা মোবাইলে জানান, ‘সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে ঢুকে প্রায়ই সাকি চাঁদাবাজি করে। মঙ্গলবার সকালে সে সরকারী অফিসে ঢুকে হম্বিতম্বি করলে কর্মচারীদের সাথে বাগবিতন্ডতা বাঁধে। পরে তাকে অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়।’ তবে, মদ্যপ, হম্বিতম্বি ও চাঁদাবাজির বিষয়টি সম্পুর্ণরূপে অস্বীকার করেছেন যুবলীগ কর্মী সাকি। জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ ইউসুফ জুয়েল, সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক সহ সাকির সহকর্মীদের অনেকেই এ ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র নিন্দা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।