বরিশালের উজরপুরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগ

0
194

উজিরপুর প্রতিনিধিঃ বরিশালের উজিরপুরে প্রবাসী কর্তৃক বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কলেজ ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। পরিবার ও ছাত্রী সুত্রে জানা যায় উপজেলার ওটরা ইউনিয়নের মালিকান্দা গ্রামের অসহায় ভ্যান চালক নুরু মিয়া সিকদারের মেয়ে বড়াকোঠা ডিগ্রি কলেজের এইচ.এস.সি পরিক্ষার্থীকে পার্শ্ববর্তী লস্করপুর গ্রামের আবুবক্কর সরদারের ছেলে প্রবাসী লম্পট আসলাম সরদার (৩০) বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। জানা যায় ঐ কলেজ ছাত্রীর সাথে ৫ বছরের ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছে। লম্পট আসলাম ৩ বছর পূর্বে বিদেশ যাওয়ার আগে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে কলেজ ছাত্রী। এরপর একমাস পূর্বে আসলাম বাংলাদেশে এসে পুনরায় ঐ ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এরপর কলেজ ছাত্রী তাদের বিবাহের কথা বললে সুচতুর লম্পট তালবাহানা শূরু করে। ছাত্রী আসলামের কূ-মতলব বুঝতে পেরে তাদের সম্পর্কের বিষয়টি বাবা মাকে জানায়। তারা কোন উপায়ান্তুর না পেয়ে এলাকায় মোড়লদের ধর্না ধরে কিন্তুু প্রভাবশালী আসলাম কর্নপাত না করে স্ব-পরিবারকে নিয়ে বাড়ী ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে লোক লজ্জায় কলেজ ছাত্রী আত্মহত্যার হুমকী দিচ্ছে। ছাত্রীর বাবা নুরু মিয়া সিকদার জানান আমার মেয়েকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তার ইজ্জত নষ্ট করেছে এবং লম্পট আসলামের চাচাত ভাই শহিদুল সরদার আমার মেয়েকে বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে এসিড নিক্ষেপ করে ঝলসে দেয়ার হুমকি দিচ্ছে। তাই ঐ প্রভাবশালীদের ভয়ে মামলা করতে সাহস পাচ্ছি না। তবে মেয়ের অবস্থা বেশি সুবিধার নয়। সে বারবার আত্মহত্যার হুমকি দিচ্ছে। মেয়েকে নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি। থানায় মামলা করা ছাড়া আর কোন উপায় দেখছি না, যে কোন সময় থানায় মামলা করা হবে। কলেজ ছাত্রী আরো জানান, ৫ বছর ধরে আসলাম সরদার তাকে বউ পরিচয় দিয়ে তার সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছে। এমনকি আমাকে বিদেশ থেকে মোবাইল ফোন এবং ঔষধ, শাড়ী, কাপড় চোপড় কেনার টাকা পাঠাত। অভিযুক্ত আসলাম এর মুঠোফোনে যোগাযোগ করতে চাইলে ফোনটি রিসিভ করেনি। তবে তার ভাই রবিউল সরদার জানান এ বিষয়ে মেয়েটির পরিবার আমাদের পরিবারের কাছে কিছুই জানাননি। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মামলা হয়নি তবে মামলার প্রস্তুতি চলছে। উজিরপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল আহসান জানান, বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে অপরাধীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।